সাফল্যের কাহিনী

দিনা লায়লা : এগিয়ে যাওয়ার নাম

একজন আত্নপ্রত্যয়ী উদ্যোক্তার নাম দিনা লায়লা। । দিনা লায়লার ভাষায়, ‘অনেক কষ্টে অর্জন করা সাহসটাকে আরো সুদৃঢ করতে চাই।’ এই সাহসটি হলো নারীর ক্ষমতায়ন, ইচ্ছার বাস্তব রুপায়ন, এ সাহসটা হলো তাঁর কষ্টের দিনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা। ঢাকা মিরপুর-১০ এর বাসিন্দা দিনা লায়লা আজ নিজের লালিত স্বপকে পূরণ করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছে। এ এগিয়ে যাওয়া এত সহজ ছিল না। বার বার চেষ্টা করেও দিনা লায়লা কোন কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পাচ্ছিলেন না। দিনা লায়লা বলে, লেখাপড়া শেষ না করেই নিজের পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে করেন সুজনকে। অনেক বাধা বিপত্তি সহ্য করে, পরিবারের সাথে এক রকম যুদ্ধ করেই তিনি ২০১৪ সালে একটি পার্লার দিয়েছিলেন । এ কাজে যথেষ্ট দক্ষতা থাকায় ব্যবসার আয় দিয়ে সংসার কোন রকমে চলছিল, ২০১৬ সালে তার ব্যবসার পুঁজি ছিল ৩ লক্ষ টাকা। দিনা লায়লার মনে প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দানা বেধেঁ ওঠে। এরই মধ্যে তাদের সংসারে নতুন অতিথি আসে, বেড়ে যায় সংসারের খরচ। স্বামী ও তার আয় দিয়ে সংসারের পুরো ব্যয় বহন করা দুরুহ হয়ে পড়ে। ছোট্ট বিউটি পার্লারকে বড় করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকে ঋণের জন্য ধর্ণা দিয়েছিল দিনা লায়লা। ব্যবসার কাজপত্র থাকা সত্বেও কোন প্রতিষ্ঠান তাকে চাহিদা অনুযায়ী ঋণ দিচ্ছিল না, কী কারণ সে জানে না। তারই এক পরিচিত বন্ধুর সাথে তিনি একদিন বি’ইয়া’র সাথে যুক্ত হন। ৫ দিনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তিনি ব্যবসা সম্পর্কে আদ্যোপান্ত জানতে পারেন, যা আগে তিনি কখনোই ওভাবে জানতেন না। এর পর তিনি বি’ইয়া’র সহযোগীতায় ব্যবসা পরিকল্পনা থেকে শুরেু করে ব্যাংক হিসাবরক্ষণ প্রভৃতি বিষয়গুলো সহকারে তিনি বি’ইয়া’র পরামর্শে মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড এ একটি পূর্ণাঙ্গ ঋণ প্রস্তাবনা জমা দেন। বি’ইয়া’র সাথে যুক্ত অনেক উদ্যোক্তাই মাইডাস থেকে ঋণ পেয়েছেন, এরই ধারাবাহিকতায় এক মাসের মধ্যে দিনা লায়লা ৪ লক্ষ টাকা ঋণ পেয়ে তাঁর ব্যবসাটি সম্পসারণ করার সুযোগ পায়। এখন বিউটি পার্লারের সাথে একটি জিম এবং একটি বুটিক হাউস যুক্ত করেছেন। আর খুব খেয়াল রাখেন ক্রেতার প্রতি সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের বিষয়টি। ধীরে ধীরে তার প্রতিষ্ঠানটির সেবার গুণগতমান ও জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। প্রতিমাসে ঋণ নিয়মিত শোধ করার পরও দিনা লায়লার হাতে বেশ কিছু টাকা উদ্বৃৃত্ত থাকে যার থেকে কিছু সঞ্চয় করছেন। এখন তাঁর প্রতিষ্ঠানে ৬ জন কর্মী কাজ করছে। এবার তিনি পরিকল্পনা করেছেন আরো একটি পার্লাার ও জিমের শাখা খুলবেন। সাথে সাথে বি’ইয়া’র নতুন উদ্যোক্তার সাথে নিয়মিত আলোচনা করেন, ব্যবসা পরামর্শ দেন । দিনা লায়লা একটা কথাই নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বলেন, লক্ষ্যটাকে স্থির রেখে, ধ্যৈর্য ধরে রাখা। সফলতা একদিন আসবেই।”

দিনা লায়লা, বিস্তারিত

চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তা হয়েছে ওয়াহাব

চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করেছেন ওয়াহাব খাঁন, গড়ে তুলেছেন নিজের একটি স্বাধীন ব্যবসা। এতবড় কঠিন সিদ্ধান্ত ওয়াহাবকে জীবনে আর দ্বিতীয়টি নিতে হয়নি। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত অনেক আগে নিলে জীবন আরো বলে যেতো বলে মনে করেন ওয়াহাব। আজ ওয়াহাব চাকরিজীবি নয়, পুরোদস্তুর উদ্যোক্তা, অসংখ্য মানুষকে চাকরি দেয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি। ওয়াহাব এর বয়স ২৭ বছর। অভাব কি জিনিস তা ওয়াহাবের মত আর কেউ জানে না বোধ হয়। কাজের সন্ধানে গ্রাম থেকে তার বাবা ঢাকায় চলে আনেস — সালে। তখন ওযাবের বয়স ৬ বছর। তার ছোট দুই ভাই মিলে একটি ছোট ঘরে তাদের শৈশব কেটেছে অনেক কষ্টে। কিন্তু শত কষ্ট সত্বেও ওয়াহবের বাবা-মা ওয়াহাবকে লেখাপড়া ককরিয়েছেন, ওয়াহাব ও মনে মনে ভেবেছে এই অভাব থেকে নিস্তার পেতে হলে তাকে লেখাপড়া শিখতেই হবে। একটি চাকবরি পেলে ওয়াহাব বাবা-মায়ের দু:খ ঘোচাবেন। খেয়ে না খেয়ে, চেয়ে-চিন্তে ওয়াহাব লেখাপড়াটা চালিয়ে গেছে। এমনকি রাতে ঘরে আলো নাও জ¦লতে পারে বেবে সে স্কুল তেকে ফিরে বিকেলে পড়া করে রেখেছে, যাতে কেরোসিন কেনার বাড়তি বোঝা বাবাকে বইতে না হয়। অনেকদিন কেটেছে। ওয়াহাব পলিটেকনিক্যাল থেকে ইলেকট্রিকে ডিপ্লোমা করে ঢাকায় একটি বড় কোম্পানিতে চাকরি নিয়েছে। ধীরে ধীরে তার দক্ষতা ও মেধায় সেখানে উন্নতি করছে, যে রোজগার করতো তা দিয়ে মা, ভাইদের চাহিদা খুব ভালভাবেই পূরণ হতো, সংসারের দায়িত্ব সফল ভাবেই সামলিয়েছে। বাবা সে সুখ দেখে যেতে পারেনি। ওয়াহাব বলে, ঐ চাকরি করেও আমি তৃপ্তি পাচ্ছিলাম না। নিজের দক্ষতাকে নিজের মত করে প্রকাশ করতে পারছিলাম না। উদ্যোক্তা হওয়ার একটা তাগিদ ছিল নিজের ভেতর। উদ্যোক্তা হওয়ার ভাবনাই তাকে বি’ইয়া’র সাথে যুক্ত করে। প্রথমে কিছুটা দ্বিধা থাকলেও বি’ইয়া’র ৫ দিনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পর চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে আর দেরি হয়নি ওয়াহাবের। পরিবারের সদস্যরা ওয়াহাবের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। ওয়াহাব শুরু করে এসি ফিটিংস এর এঙ্গেল তৈরি ওয়ার্কশপ। তার তৈরি এসি লাগানোর এঙ্গেল অল্প কয়েকদিনের মধ্যে মিরপুর এলাকায় বেশ পরিচিত পায় । ২ জন কর্মী রেখে ওয়ার্কশপ পরিচালনা করছে ওয়াহাব। প্রতিষ্ঠানের নামে ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক একাউন্ট খোলা হয়েছে। দৈনিক হিসাব খাতায় লিখে রাখা হচ্ছে। একটা সুনির্দিষ্ট ব্যবসা পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ওয়াহাব। ইতিমধ্যে দু’টি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে বড় অঙ্হের ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছে । এখন ব্যবসার শুরুর পর্যায়ে, তবে ওয়াহাব বলে, আরো আগে এটি শুরু করলে এতদিনে তার প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়ে যেত। কিন্তু চাকরি থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার ঝুঁকিটি নিতে পারছিল না সে,বি’ইয়া তাতে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখিয়েছে। সে চায়, তরুণরা চাকরির প্রত্যাশষা না করে সৃজনশীল কাজে উদ্যোগ গ্রহণ করলেই একদিন সফল হতে পারবে।

 

ওয়াহাব , বিস্তারিত
হার না মানা নূপুর প্রত্যেক মানুষই সৌন্দর্য পিপাসু, নিজেকে অন্যভাবে উপস্থাপন করতে চায় সবাই, পৃথিবীর সব স্থানে অনেক আগে থেকেই নারীরা তার সৌন্দর্য সম্পর্কে সচেতন। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের নারীরা। কিন্ত নিজেকে পরিপাটি করে সাজিয়ে তুলতে অন্যের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। এই সাজসজ্জা হচ্ছে প্রত্যেক নারীর মনের প্রশান্তি। এই মনের মতো সাজকে ফুটিয়ে তুলতে প্রয়োজন হয় একজন সাজনীর। নূপুর ছোট বেলা থেকেই বোনদের সাজনীর বাক্স নিয়ে সাজতে ভাল বাসতো। নূপুর স্বাধীন ভাবে কিছু একটা করার স্বপ্ন দেখতো। সাজগোজের প্রতি যেহেতু তার প্রবল একটা জোঁক ছিল, তিনি বিউটি পার্লারের ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবতে ছিলেন। কিন্ত শুরু করবেন কি ভাবে? ১৪ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যায় পরের বছর হন সন্তানের মা।শ^শুরবাড়ীতে কোন বাঁধা নেই। এগিয়ে যাওয়ার প্রেরনা।স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাওয়ার শুরুতে প্রশিক্ষন নিয়ে নিলেন বিউটিফিকেশনের।পরিবার সমর্থন করলেও বাঁধা হলো সমাজ। শুরুতে বিউটিপার্লারের জন্য কোন মালিক বাড়ি ভাড়া দিতে চায়নি। পঁয়ত্রিশ বছর বয়সী শারমিন সুলতানা নূপুর দমে যাননি, তিনি তার লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিয়েছেন। সামাজিক বাধাঁকে উপেক্ষা করে পরিবারের সমর্থন নিয়ে গড়ে তোলেন “তানু’স বিউটি পার্লার’’। মাত্র দুই লক্ষ টাকা পুঁজি নিয়ে বিউটি পার্লার প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে পাঁচজন প্রশিক্ষিত কর্মী রয়েছে। নারীর রুপ চর্চার পাশাপাশি তিনি রুপ চর্চার বিভিন্ন হেলথ্ টিপস্ দিয়ে থাকেন। এখানে নারীর নিখুত ভাবে চুল কাঁটা, ম্যাসেজ, বৌ/ কনে সাজানো এছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সাজ করে থাকেন। এই পার্লারের বিশেস্বত্ব হলো গ্রাহকের সন্তষ্টি অর্জন। সফল ব্যবসাযী হতে হলে অবশ্যই পরামর্শক প্রয়োজন। বাংলাদেশ যুব এন্টারপ্রাইজ অ্যাডভাইস এন্ড হেল্পসেন্টার আমার একমাত্র পরামর্শক হিসেবে ভ‚মিকা রেখেছে। আমি ধন্যবাদ জানাই বি’ইয়াকে। আমার পথ চলার পথকে আরো প্রশস্থ করার জন্য। আমার এই পার্লারটি সেরাদের তালিকায় স্থান করে নিবে ও অসহায় নারীদের কর্মসংস্থানে ভ‚মিকা রাখবে, এই প্রত্যাশায় কাজ করছি।
NUPUR, Your Content Goes Here
শিল্পের রং তুলিতে ড চিং চিং রং তুলিতে কোন প্রতিকী যখন সুন্দরভাবে পরিপূর্ণতা পায় তখনই তাকে শিল্প বলে। আর যার হাতের স্পর্শে এই কর্মটি সম্পাদন হয় তিনি হলেন শিল্পী। একজন শিল্পী চারিদিকের নানান রুপময় বৈচিত্র ও প্রকৃতি তার চিত্রে ফুটিয়ে তোলেন। তেমনি একজন শিল্পি উদ্যোক্তার নাম ড চিং চিং ()। পড়ালেখা শেষ করে চাকরী করবেন এই স্বপ্নকে লালিত করে চৌত্রিশ বছর বয়সী ড চিং চিং পাহাড়ী উপত্যকা থেকে সমতলে নেমে এসেছিলেন, নানান স্থানে ঘুরে হতাশার ঘূর্ণিপাকে ক্লান্ত মন চাকুরির প্রত্যাশা ছেড়ে নতুন ভাবে বেঁেচ থাকার অবলম্বন খুঁজতে থাকেন। ড চিং চিং এর ছোট বেলা থেকেই আকাঁআঁকির প্রতি ভীষণ আগ্রহ ছিল। সুযোগ পেলেই খাতা পেন্সিল নিয়ে আঁকতে বসে যেতেন। চারিদিকের গাড়ি কিংবা রিক্সার পেছনে নানা ধরণের বিজ্ঞাপন বা ছবি আঁকা গুলো তাকে বিমোহিত করতো। ছোট বেলার সেই বিজ্ঞাপন গুলোই তার আকাঁআঁকির পেশা হিসেবে বেছে নেন। তিনি রিক্সার ছবি আর্ট করতে শুরু করলেন, কিছু দিন যাবার পর তার হাতের কাজ গুলো বেশ সুনাম হতে লাগলো। তিনি ভাবলেন এই শিল্পকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়া প্রয়োজন। “ফিনারী” নামক প্রতিষ্ঠানের তিনি স্বত্বাধীকারী হয়ে নতুন উদ্দ্যমে শুরু করলেন তার আগামীর পথ চলা। মাত্র ত্রিশ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে যাত্রা শুরু করা “ফিনারী” প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে পনের জন কর্মী রয়েছে। আর মূলধন হয়েছে দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা। থেমে নেই আঁকাআঁকির পথ চলা। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন বোতল, অলংকার, মোবাইল কভারে রিক্সা ক্যানভাসের ছবি আকেঁন। শুধু তাই নয় এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন দেয়াল পেইন্ট, কাঠের পেইন্ট করে থাকেন। ড চিং চিং বলেন, এই শিল্পের কদর শেষ হয়ে যায়নি, বরং শহরের ইট কাঠের দেয়ালে মানুষ প্রকৃতিকে খুঁজে ফিরে। “ফিনারী”বিভিন্ন পেইন্ট নিয়ে মেলাতে অংশগ্রহন করে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। একটি দৈনিক প্রত্রিকায় প্রতিবেদন ও প্রকাশ করেছে। ব্যবসার জন্য চাই নির্ভূল পরিকল্পনা ও নির্দেশনা। ব্যবসার শুরুর দিকে যা এই প্রতিষ্ঠানের ঘাটতি ছিল, বাংলাদেশ ইয়ূথ এন্টারপ্রাইজ অ্যাডভাইস এন্ড হেল্প সেন্টার(বি’ইয়া) সেই ঘাটতি পূরণে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করেছে। তার কথায়, বি’ইয়ার নিকট আমি চিরকৃতজ্ঞ, আমার এ পথচলায় সহযোগিতা করার জন্য। আমি প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে জেনেছি ব্যবসার খুঁটিনাটি বিয়ষ। যা আমাকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করেছে। প্রথম দিকে তিনি বাসা থেকেইবি’ইয়াাকে ধন্যবাদ, একজন মেন্টরকে আমার ব্যবসা পরামর্শক হিসেবে পাওয়ার জন্যও। আমি একজন শিল্পী ও উদ্যোক্তা, শিল্পের মাঝেই বেচেঁ থাকতে চাই। প্রকৃতির উদার দানকে রং তুলিতে মানুষের বিনোদনের অংশ করতে চাই এই স্বপ্ন নিয়ে আগামীতে “ফিনারীকে” একটি স্বনামধণ্য প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরিত করাই একমাত্র ব্রত।
DA CHING CHING, Your Content Goes Here
ফরিদা অনুপ্রেরণার নাম “একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে পেরেই অঅমি উচ্ছসিত ও আনন্দিত। আমার পরিবারের কেউ ব্যবসার সাথে জড়িত না থাকলেও আমি লেখাপড়া শিখে একজন উদ্যোক্তা হতে পেরেছি বলে আমি গর্ব বোধ করি” কথাগুলো তরুণ উদ্যোক্তা ফরিদা বেগমের। ফরিদা তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্পে বলেন, আমি মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠা একজন মেয়ে। এই পরিবারে মেয়েরা লেখাপড়া শিখে চাকরি করে, কখনো ব্যবসায় জড়িত হয় না। আমি যখন গণিত বিষয়ে মাষ্টার্স শেষ পর্বে তখন লেখাপড়ার আর ক্লাস পর কিছুই করার থাকতো না। প্রতিদিন খবরের কাগজ পড়তাম আর ব্যবসার পাতাটা খুব মনোযোগ দিয়ে দেখতাম। পরিবার থেকে ইতিমধ্যে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া শুরু হয়েছিল। তবে একটা বিষয় ছিল, যদি সরকারি চাকরি পেয়ে যাই তবে বিয়ে কিছুদিন পরে করলেও চলবে। কখনোই ব্যবসার কথ্যা বলার সাহস হয়নি। অবশ্য ছোট বেলা থেকে বাসায় কাপড়ে বিভিন্ন কাজ করতাম। এরই মধ্যে আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে বি’ইয়ার একটি ওয়ার্কশপে যাই। আমি যেন আমার মনের কথারই প্রতিধ্বনি শুনতে পাই। আমি সেদিনই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, আমি উদ্যোক্তাই হবো। বি’ইয়া’র ব্যবসা প্রশিক্ষণ নেয়ার পর আমি সেলাই এর প্রশিক্ষণ নেই। আমি প্রাইভেট পড়াতাম, হাত খরচের পরও বেশ কিছু টাকা জমা হয়েছিল। সে টাকা দিয়ে সেলাই মেশিন কিনে আমার বন্ধুর বাসার ছাদে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে শুরু করি ফরিদাস হ্যান্ডি ক্রাফট এর পথ চলা। বন্ধুর বাসাতেই ব্যবসা শুরু করার পর আমি বুঝতে পারি আমার পণ্যের গুণগতমান উন্নয়ন করা প্রয়োজন। আমি এসএমই ফাউন্ডেশনে ফ্যাশান ডিজাইনের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি। এর পর আমি আমার তৈরি পণ্যের গুণগতমানের উন্নয়ন করতে সক্ষম হই এবং স্থানীয় বাজারে আমার তৈরি পণ্যের চাহিদা ক্রমেই বাড়তে থাকে। একদিন আমার মা-বাবাকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলি সেই সাথে আমার তৈরি কিছু পোষাক তাদের দেখাই। তারা এসব দেখে খুশি হয়, আমিও দ্বিগুণ উৎসাহ পেয়ে নতুন উধ্যোমে কাজে নেমে পড়ি। সমস্যা দেখা দিল পণ্য বিপণনে। কোথায়, কার কাছে যাবো কিভাবে বিক্রি করবো এই ধরণের সমস্যা যখন পড়েছি ঠিক তখনই বি’ইয়া আমাকে মেন্টরের সাথে যুক্ত করে দেয়। আর একটি বিষয়, ২০১৮ সালে বি’ইয়া আয়োজিত পণ্য মেলায় আমার প্রথম অংশগ্রহণ করা। সেই মেলঅ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি, জেনেছি এবং বুঝতে পেরেছি আমার পণ্যের কি কি পরিবর্তন করা প্রয়োজন, বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতাদের চাহিদা ও মানসিকতা। এর মধ্যেই অঅমি ব্যবসার রিখিত পরিকল্পনা করেছি, অংশগ্রহণ করেছি বি’ইয়াসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে। আমি কৃতজ্ঞ আমার মেন্টরের মমতাজ মাকসুদ আপার প্রতি। তিনি আমাকে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন। আমি অনুভত করতে পারছি, একজন উদ্যোক্তা বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তার জন্য বি’ইয়া’র মত একটি প্লাটফর্ম খুবই প্রয়োজন। আমি বি’ইয়া’র তরুণ উদ্যোক্তা প্লাপর্মের সাথে যুক্ত হতে পেরে খুবই গর্বিত ও আনন্দিত। এখন আমার ব্যবসার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এখন আমার প্রতিষ্ঠানে ছয়টি সেলাই মেশিন, দুই জন স্থায়ী কর্মী ও তিনজন অস্থায়ী কর্মী কাজ করছে। আমি আমার কারখানাটি পরিবেশ বান্ধব করার চেষ্টা করছি। বি’ইয়া’র সাথে যুক্ত হওয়ার পর কর্মী ব্যবস্থাপনা, লিখিত হিসাব রাখা, নেটওয়ার্ক বিষয়ে অনেক দক্ষ হয়েছি। আমার বাবা মা এখন অনেক খুশি। তারা বুঝতে পেরেছে, একজন নারীও একজন বভালো উধ্যোক্তা হতে পারে। আমার একটি কাহিনী ওয়াইবিআই এর ওয়েবসাইটে স্থান পেয়েছে। আমিও চেষ্টা করছি যাতে অন্য তরুণরাও আমার মত উধ্যোক্তা হতে পারে। পরিশেষে, এখন আমি আমার পরিচয়ে পরিচিত। সকলেই আমাকে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে চেনে। বিভিন্ন মেলায় অংশগ্রহণ করছি। আমি আতœবিশ^াসী যে আগামী তিন বছরের মধ্যে আমার ফরিদাস্ হ্যান্ডিক্রাফট একটি বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। অনেক ছেলে-মেয়ের কর্মসংস্থান হবে। আমার তৈরি পণ্য দেশেরই বাইরে রপ্তানী হবে। ামি চাই প্রত্যেক নারী তার নিজের কাজের গুণেই বাচুঁক।
FARIDA, Your Content Goes Here
ফাতেমার এসি মেরামতের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের এসি মেরামতের কাজটি যেখানে সাধারণভাবে পুরুষদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, সেখানে ফাতেমা আক্তার সাথী একটি ব্যাতিক্রমী উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সে ফাতেমা সাফল্যের সাথে একটি এসি সংযোজন এবং মেরামতের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। ফাতেমা বলে, ‘পড়াশোনা চলাকালীন সময়ে আমি একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতাম, যেখানে আমার এমন কিছু লোকদের সাথে কাজ করতে হতো যাদের কাজ ছিল ঐ প্রতিষ্ঠানের এসিগুলো মেরামত করা। তাদের সাথে কাজ করতে করতে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই আমি কাজটি শিখতে শুরু করি। ঐ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা অবস্থায় আমি এসি মেরামত এবং মেরামতের খুটিনাটি বিষয় গুলো আয়ত্ব করি। পরে আমি চাকরি ছেড়ে দেই। এরপর ২০১৬ সালে তিন লক্ষ টাকা মূলধন এবং একজন মহিলাকে সাথে নিয়ে আমি এসি সংস্থাপন এবং মেরামতের ব্যবসা শুরু করি। পিরোজপুরে থাকা আমার বাবা মা এই বিষয়টি একদম মেনে নিতে পারেননি। সহযোগিতা করার বদলে আমাকে বিয়ে করার জর‌্য চাপ দিতে থাকে, কিন্তু আমি রাজী হইনি। যাই হোক আমাদের যৌথ উদ্যোগ, ভাল ভাবেই চলতে থাকল। কিন্তু কয়েকমাস পরে ব্যবসার অংশীদারদের সাথে মতের অমিল শুরু হয়। মনে হল আর যৌথ ব্যবসা নয়, তাই ছোট ভাইকে সাথে নিয়ে ২০১৮ সালে বাড্ডায় একই ব্যবসা শুরু করি। আমার সৌভাগ্য যে, সেই সময়েই আমি বি’ইয়া’র কথা জানতে পারি এবং তারা আমাকে প্রশিক্ষণের জন্য সুযোগ করে দেয়। বি’ইয়াতে আমার মত অন্যান্য তরুণদের দেখে আমি আতœবিশ^াস ফিরে পেয়েছি। আগের যৌথ ব্যবসায় কোন কাগজপত্র বা লিখিত চুক্তিপত্র ছিলো না বলে আমি অনেক ভুগেছি। এখন আমি জানি একটি ব্যবসা জন্য কী কী কাগজ লাগে এবং ব্যবসার বৈধ কাগজপত্র থাকা কতটা জরুরী। জেনেছি কিভাবে ক্রেতার সাথে ব্যবহার করতে হয়, ব্যবসার হিসাব এবং কর্মী ব্যবস্থাপনা করতে হয়। এখন আমার ব্যবসা টি মোটামুটি ভালোভাবে চলছে। বর্তমানে চারজন কর্মী আছে যারা এসি মেরামত এবং সংযোজনের কাজ করে থাকে। উন্নত সেবার জন্য কখনও কখনও আমি বেশ প্রশংসা এবং সময়মত মজুরী পেয়ে যাই যা আমাকে উদ্যোক্তা হতে আরো উৎসাহিত করে। এই ব্যবসা শুরুর প্রথমেই সকলের অনেক বিরূপ মন্তব্য শুনতাম। তাদের কারো ধারনা ছিল না যে এই ধরণের ব্যবসা মেয়েরাও করতে পারে। সকলে ভাবতো এটা শুধু পুরুষদের কাজ। অনেক বাধা সত্তে¡ও এগিয়েছি আর এ ব্যাপারে আমার মেন্টর গুলশান আপা আমাকে খুব সহযোগিতা করেছে, এখনও করছে। আমি মনে করি, আমরা মেয়েরা সব ব্যবসাই করার যোগ্যতা রাখি, শুধু সাহসের প্রয়োজন আর প্রয়োজন বি’ইয়া’র মত সংগঠনের।’ ফাতেমার স্বপ্ন হলো তার প্রতিষ্ঠানটি হবে দেশের নামকরা এসি মেরামত এবং সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান, সে পথেই এগিয়ে চলেছে ফাতেমা।
fatema, Your Content Goes Here
ফরদিা অনুপ্ররেণার নাম “একজন নারী উদ্যোক্তা হসিবেে নজিকেে পরচিয় দতিে পরেইে অঅমি উচ্ছসতি ও আনন্দতি। আমার পরবিাররে কউে ব্যবসার সাথে জড়তি না থাকলওে আমি লখোপড়া শখিে একজন উদ্যোক্তা হতে পরেছেি বলে আমি র্গব বোধ কর”ি কথাগুলো তরুণ উদ্যোক্তা ফরদিা বগেমরে। ফরদিা তার উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্পে বলনে, আমি মধ্যবত্তি পরবিারে বড়েে ওঠা একজন ময়ে।ে এই পরবিারে ময়েরো লখোপড়া শখিে চাকরি কর,ে কখনো ব্যবসায় জড়তি হয় না। আমি যখন গণতি বষিয়ে মার্ষ্টাস শষে র্পবে তখন লখোপড়ার আর ক্লাস পর কছিুই করার থাকতো না। প্রতদিনি খবররে কাগজ পড়তাম আর ব্যবসার পাতাটা খুব মনোযোগ দয়িে দখেতাম। পরবিার থকেে ইতমিধ্যে বয়িরে জন্য চাপ দয়ো শুরু হয়ছেলি। তবে একটা বষিয় ছলি, যদি সরকারি চাকরি পয়েে যাই তবে বয়িে কছিুদনি পরে করলওে চলব।ে কখনোই ব্যবসার কথ্যা বলার সাহস হয়ন।ি অবশ্য ছোট বলো থকেে বাসায় কাপড়ে বভিন্নি কাজ করতাম। এরই মধ্যে আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে ব’িইয়ার একটি ওর্য়াকশপে যাই। আমি যনে আমার মনরে কথারই প্রতধ্বিনি শুনতে পাই। আমি সদেনিই প্রতজ্ঞিা করছেলিাম, আমি উদ্যোক্তাই হবো। ব’িইয়া’র ব্যবসা প্রশক্ষিণ নয়োর পর আমি সলোই এর প্রশক্ষিণ নইে। আমি প্রাইভটে পড়াতাম, হাত খরচরে পরও বশে কছিু টাকা জমা হয়ছেলি। সে টাকা দয়িে সলোই মশেনি কনিে আমার বন্ধুর বাসার ছাদে একটি ঘর ভাড়া নয়িে শুরু করি ফরদিাস হ্যান্ডি ক্রাফট এর পথ চলা। বন্ধুর বাসাতইে ব্যবসা শুরু করার পর আমি বুঝতে পারি আমার পণ্যরে গুণগতমান উন্নয়ন করা প্রয়োজন। আমি এসএমই ফাউন্ডশেনে ফ্যাশান ডজিাইনরে উপর প্রশক্ষিণ গ্রহণ কর।ি এর পর আমি আমার তরৈি পণ্যরে গুণগতমানরে উন্নয়ন করতে সক্ষম হই এবং স্থানীয় বাজারে আমার তরৈি পণ্যরে চাহদিা ক্রমইে বাড়তে থাক।ে একদনি আমার মা-বাবাকে বষিয়টি বুঝয়িে বলি সইে সাথে আমার তরৈি কছিু পোষাক তাদরে দখোই। তারা এসব দখেে খুশি হয়, আমওি দ্বগিুণ উৎসাহ পয়েে নতুন উধ্যোমে কাজে নমেে পড়।ি সমস্যা দখো দলি পণ্য বপিণন।ে কোথায়, কার কাছে যাবো কভিাবে বক্রিি করবো এই ধরণরে সমস্যা যখন পড়ছেি ঠকি তখনই ব’িইয়া আমাকে মন্টেররে সাথে যুক্ত করে দয়ে। আর একটি বষিয়, ২০১৮ সালে ব’িইয়া আয়োজতি পণ্য মলোয় আমার প্রথম অংশগ্রহণ করা। সইে মলেঅ থকেে আমি অনকে কছিু শখিছে,ি জনেছেি এবং বুঝতে পরেছেি আমার পণ্যরে কি কি পরর্বিতন করা প্রয়োজন, বভিন্নি শ্রণেরি ক্রতোদরে চাহদিা ও মানসকিতা। এর মধ্যইে অঅমি ব্যবসার রখিতি পরকিল্পনা করছে,ি অংশগ্রহণ করছেি ব’িইয়াসহ অন্যান্য প্রতষ্ঠিানরে বভিন্নি প্রশক্ষিণ।ে আমি কৃতজ্ঞ আমার মন্টেররে মমতাজ মাকসুদ আপার প্রত।ি তনিি আমাকে নয়িমতি পরার্মশ দচ্ছিনে। আমি অনুভত করতে পারছ,ি একজন উদ্যোক্তা বশিষে করে নারী উদ্যোক্তার জন্য ব’িইয়া’র মত একটি প্লাটর্ফম খুবই প্রয়োজন। আমি ব’িইয়া’র তরুণ উদ্যোক্তা প্লার্পমরে সাথে যুক্ত হতে পরেে খুবই র্গবতি ও আনন্দতি। এখন আমার ব্যবসার অনকে পরর্বিতন হয়ছে।ে এখন আমার প্রতষ্ঠিানে ছয়টি সলোই মশেনি, দুই জন স্থায়ী র্কমী ও তনিজন অস্থায়ী র্কমী কাজ করছ।ে আমি আমার কারখানাটি পরবিশে বান্ধব করার চষ্টো করছ।ি ব’িইয়া’র সাথে যুক্ত হওয়ার পর র্কমী ব্যবস্থাপনা, লখিতি হসিাব রাখা, নটেওর্য়াক বষিয়ে অনকে দক্ষ হয়ছে।ি আমার বাবা মা এখন অনকে খুশ।ি তারা বুঝতে পরেছে,ে একজন নারীও একজন বভালো উধ্যোক্তা হতে পার।ে আমার একটি কাহনিী ওয়াইবআিই এর ওয়বেসাইটে স্থান পয়েছে।ে আমওি চষ্টো করছি যাতে অন্য তরুণরাও আমার মত উধ্যোক্তা হতে পার।ে পরশিষে,ে এখন আমি আমার পরচিয়ে পরচিতি। সকলইে আমাকে একজন উদ্যোক্তা হসিবেে চনে।ে বভিন্নি মলোয় অংশগ্রহণ করছ।ি আমি আতœবশি^াসী যে আগামী তনি বছররে মধ্যে আমার ফরদিাস্ হ্যান্ডক্রিাফট একটি বড় প্রতষ্ঠিানে পরণিত হব।ে অনকে ছলে-েময়েরে র্কমসংস্থান হব।ে আমার তরৈি পণ্য দশেরেই বাইরে রপ্তানী হব।ে ামি চাই প্রত্যকে নারী তার নজিরে কাজরে গুণইে বাচুঁক।
TUSHAR, Your Content Goes Here
আত্ববিশ্বাসী ও সংগ্রামী নারী উদ্যোক্তা হালিমা সিকদার স্বপ্ন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে, স্বপ্নের সিড়িঁ বেয়ে মানুষ তার সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে বলে যার দৃঢ় ধারণা সেই প্রবল বিশ্বাসী মানুষটির নাম হালিমা সিকদার(৩৪)। এক সময় তিনি ছিলেন সাধারণ নারীদের একজন। আজ তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা সফল ব্যবসায়ী। পড়ালখা শেষ করে তিনিও ভেবে ছিলেন অন্যের মতো চাকরি করবেন। একটি প্রতিষ্ঠানে তিন বছর চাকরি করার পর মনে হল অন্যের অধীনে কাজ না করে নিজের মতো করে একটি স্বাধীন ব্যবসা করা যায় কিনা। নিজের পরিচিতি ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু করার দৃঢ় প্রত্যয়ে হালিমা সিকদার আত্ববিশ্বাসী হয়ে উঠেন। তিনি চিন্তা করলেন,সব মানুষই তার পোষাকের প্রতি সচেতন। বিশেষ করে নিত্য নতুন পোষাকের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশী থাকে। মুসলিম নারীদের লক্ষ্য করে তিনি নারীদের “আবায়া’’ তৈরি ও বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে “সাফেরো” নামে একটি পোষাক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকারী হিসেবে আতœপ্রকাশ করেন। প্রথমে পরিচিত মানুষদের মাধ্যমে শুরু হলেও ধীরে ধীরে নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে তার বাহারী ধরনের পোষাকের (আবায়া) খবর। সেই পথ চলা শুরু আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। কিন্তু এই পথটা মোটেও মসৃণ ছিলো না বা এখনও নয়। একজন নারীকে একজন উদ্যোক্তা হতে হয় অনেক ধৈর্য্য, সাহস আর ত্যাগের বিনিময়ে। তিনি বলেন, আমি এখন বুক ভরা নি:শ্বাস নিতে পারছি, কিন্তু এক সময় আমি হতাশায় দিন পার করতাম আর এখন আমি ব্যস্ততায় দিন পার করি। আমি এখন স্বাবলম্বী নারী। এমন একটা সময় গেছে যখন আতœীয়স্বজন এমনকি পরিবার থেকেও তীর্যক কথা ছাড়া কিছুই পাইনি। আর সেই অবহেলাই আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে নিজে কিছু করার, মাথা তুলে দাঁড়ানোর। পেয়েছি বি’ইয়ার সন্ধান। সাহস, প্রেরণা, প্রশিক্ষণ, মেন্টর আর পেয়েছি উদ্যোক্তাদের একটি পরিবার। তরুণ উদ্যোক্তাদের পরিবার বি’ইয়া’র একজন সদস্য হিসেবে আমি গর্বিত, আনন্দিত। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে পাঁচজন কর্মী রয়েছে, ভবিষ্যতে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন। “সাফেরো” প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নারীদের চাহিদা ভিত্তিক পোষাক সরবরাহ করাই মূল লক্ষ্য। তালিমা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এভাবে, বি’ইয়া প্রতিষ্ঠানই আমাকে ব্যবসার নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে,দিয়েছে মেন্টর। তাদের ঐকান্তিক পরামর্শ আমার পথকে আরও প্রশস্ত করেছে। আমি স্বপ্ন দেখি “সাফেরো” প্রতিষ্ঠান থেকে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সকল স্থানে তার নিজস্ব ব্রান্ডের পোষাক এক নামে চিনবে।
HALIMA, Your Content Goes Here

ব্যবসা ক্ষেত্র

SlName
খাদ্য
হস্তশিল্প
পোশাক
চামড়া পণ্য
সেবা
পাট পণ্য
আইসিটি

আমাদের উদ্যোক্তার পণ্য

ব্যবসা           : চামড়াজাত পণ্য তৈরি ও বিক্রয়

উদ্যোক্তা      : মাইন উদ্দিন

যোগাযোগ   : ০১৭৪৯৪৩৪০০৩

ব্যবসা          : বাড়ীর তৈরি খারার প্রস্তুত এবং বিপণন

উদ্যোক্তা     : ফারহানা রুনা

যোগাযোগ : ০১৯১৮৯৬৯৫৬৫

ব্যবসা           : ঘর সাজানোর পণ্য

উদ্যোক্তা       : পার্থ/অর্থা

যোগাযোগ    : ০১৯১৮৯৬৯৫৬৫

ব্যবসা           : ঘর সাজানোর পণ্য

উদ্যোক্তা       : পার্থ/অর্থা

যোগাযোগ    : ০১৯১৮৯৬৯৫৬৫

বি’ইয়া তরুণ উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম

নংনামশিল্প খাত এন্টারপ্রাইজ ফোন ইমেইলমন্তব্য
ওহাব খানএসি এন্ড রিফিজারেশন ইলেক্টনিক্স সার্ভিসসিটি ইঞ্জিরীয়ারিং ০১৭৫৩০৯১৬৮৩byeah2008@gmail.com
আরিফুল ইসলাম এসি এন্ড রিফিজারেশন আরিফা রিফিজারেশন
০১৭১৮১৬৩০৮৫byeah2008@gmail.com
আইরিন আক্তার ফ্যাশনরিয়েল ফ্যাশন০১৭৫৪৯৮৬৯৮০byeah2008@gmail.com
মোঃ মাইন উদ্দিন লেদারলেদার টেন
০১৬৭৬৬৯১৪৫৯byeah2008@gmail.com
মোঃ নাঈমস্যানিটারীনাঈম স্যানিটারী০১৯৩৭৮৮৮৫৯৮byeah2008@gmail.com
সাথীবিউটি পার্লারঅপ্সারা বিউটি পার্লার০১৭১২২৫৯১৯৩byeah2008@gmail.com
ফাহমিদা রশিদ মেঘলা ফ্যাশনসুইট ড্রিম ০১৯৫৭৪৪৩২৫৫byeah2008@gmail.com
এইচ, এম, আল-আমিন একোরীয়ামজলজ একোয়া০১৬৭৩৫৮৪৭০৯byeah2008@gmail.com
মাসুদ রানা লেদার পণ্য পেক্স লেদার ০১৭৫৮১৯৩৯৫৫byeah2008@gmail.com
১০জান্নাতুল ফেরদৌসিঅনলাইন শপস্বপ্নেরহাটত০১৭৪০৪১৬৮৮৫byeah2008@gmail.com
১১জাহিদুল ইসলামঅনলাইন শপই জাদু ডট কম০১৮২৩৮১৪১০৯byeah2008@gmail.com
১২ফারজানা আক্তার রুনাখাবারআর. বি ফুড এন্ড ক্যাটারিংbyeah2008@gmail.com
১৩তাজুল ইসলামএগ্রো০১৬৮১৬৯১৭৪১byeah2008@gmail.com
১৪পার্থ প্রতিম ঘর সজ্জা অর্থা ফ্যাশন ০১৬১২৪৬১৫০০byeah2008@gmail.com
১৫মোঃ সুলতান মাহমুদ গার্মেন্টস ভুঁইয়া আউট ফিট ০১৮১৪৯৭৬৬৮৬byeah2008@gmail.com
১৬মুনিরুল হাসান বিলাস, আহবায়ক অনলাইন শপস্বপ্নেরহাট০১৭১৩০৮০৩০১byeah2008@gmail.com
১৭আলাউদ্দিন সোহেল অনলাইন শপওকে শপ ০১৮১৭২৬৪১২৭byeah2008@gmail.com

একজন উদ্যোক্তা হয়ে উঠুন

নিবন্ধন








ব্যক্তিগত তথ্য















পুরুষনারী

হ্যাঁনা



















কাজ সম্পর্কিত তথ্য

















ডাউনলোড ফরম